স্টাফ রিপোর্টার::
ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুনামগঞ্জে দুইদিন ব্যাপী মহালয়া উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। মাতৃসংগীত, নৃত্য, চন্ডিপাঠ ও দেবীর আগমনী সংগীত মুখর হয়ে উঠে সুনামগঞ্জ রামকৃষ্ণ আশ্রম। শনিবার ভোরে চন্ডিপাঠের মাধ্যমে মহালয়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সুনামগঞ্জ রামকৃষ্ণ আশ্রমে মাতৃসংগীত, নৃত্য ও ধর্মীয় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আগমন ও মহালয়ার মাহাত্ম্য উদযাপনের আয়োজন করে সনাতনী ঐক্য পরিষদ।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে উৎসবের উদ্বোধন করেন রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী হৃদয়ানন্দ মহারাজ। পরে দেবীর আগমনী সংগীতে অংশ নেয় শিশু-কিশোররা। ধর্মীয় আবহে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। সনাতনী ঐক্য পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার চন্দ্রের সভাপতিত্বে এবং পরিষদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক দেবাশীষ তালুকদার শুভ্রের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পরিমল কান্তি দে।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি অ্যাড. বিমান কান্তি রায়, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বাদল চন্দ্র বর্মন, রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার রায় এবং সনাতনী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মানস কান্তি তালুকদার, সহসভাপতি পপি ভৌমিক, নবেন্দু তালুকদার ও স্বপন কুমার রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সমীর কান্তি দেসহ সংগঠনের নেতাকর্মী, ভক্ত ও সুধীজন। রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী হৃদয়ানন্দ বলেন, মহালয়া পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। চণ্ডীতে বর্ণিত অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির জাগরণের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, মানুষের ভেতরেও শুভ ও অশুভ প্রবৃত্তির লড়াই চলে। মহাশক্তির আরাধনার মধ্য দিয়ে শুভ শক্তির জাগরণ ঘটুক-এটাই মহালয়ার শিক্ষা। এ সময় তিনি সবার ওপর দেবীর কৃপা বর্ষিত হওয়ার প্রার্থনা করেন। উৎসবের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ও আগমনী আবহ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যাশা আয়োজকদের। কর্ণ বাবু দাস সুনামগঞ্জ
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
সুনামগঞ্জে দুই দিনব্যাপী মহালয়া উৎসব সম্পন্ন
- আপলোড সময় : ১০-১০-২০২৬ ০১:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-১০-২০২৬ ০১:৩৬:২৮ অপরাহ্ন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ